Tuesday, 6 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের ওজনপার্কে খলিল বিরিয়ানির নতুন শাখা: দেশীয় খাবারের চাহিদা বিবেচনায় নতুন উদ্যোগ, মান ও সেবায় গুরুত্ব BOROUGH PRESIDENT GIBSON CELEBRATES BRONX COMMUNITY DISTRICTS AMONG NYC`S LEADING CONTRIBUTORS TO HOUSING DEVELOPMENT New York Attorney General James Challenges Federal Rollback of Fuel Economy Standards নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় বাংলা স্কুলের তৃতীয় শাখা চালু; বিভিন্ন এলাকায় আরও শাখা খোলার পরিকল্পনা বাংলাদেশ সোসাইটির নিউইয়র্কে মুসলিম ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ১৮ বছর পূর্তিতে সেমিনার: ‘রাজনৈতিক তোষামোদে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা কমে’ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির আর্থিক হিসাব ও অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন: ৯ লাখ ১৯ হাজার ডলার গচ্ছিত থাকার দাবি, ৭ লাখ ২৫ হাজার ডলার ব্যয়ের অভিযোগ নাকচ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ফি পরিশোধে নতুন নিয়ম: স্বশরীরে সেবায় মানি অর্ডার-চেক ও নগদ বন্ধ, শুধু ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি নির্বাচন ২০২৬; এস্টোরিয়ায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের মতবিনিময় সভা বর্ণবৈষম্য অবসানের প্রতিশ্রুতি পূরণেএখনো অনেক দূরে বিশ্ব: জাতিসংঘে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 55 বার

প্রকাশিত: September 3, 2026 | 8:45 pm

নিউজ২৪ইউএসএ.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : “সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব,” বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
২ সেপ্টেম্বর বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদানকালে রাষ্ট্রদূত খান নারীর নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।
তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়াতে বিনিয়োগ; এবং সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাঁদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন।
তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের পাশাপাশি তৃণমূলসহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।
Photo credit : Press Wing, Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations.

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ