Tuesday, 6 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের ওজনপার্কে খলিল বিরিয়ানির নতুন শাখা: দেশীয় খাবারের চাহিদা বিবেচনায় নতুন উদ্যোগ, মান ও সেবায় গুরুত্ব BOROUGH PRESIDENT GIBSON CELEBRATES BRONX COMMUNITY DISTRICTS AMONG NYC`S LEADING CONTRIBUTORS TO HOUSING DEVELOPMENT New York Attorney General James Challenges Federal Rollback of Fuel Economy Standards নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় বাংলা স্কুলের তৃতীয় শাখা চালু; বিভিন্ন এলাকায় আরও শাখা খোলার পরিকল্পনা বাংলাদেশ সোসাইটির নিউইয়র্কে মুসলিম ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ১৮ বছর পূর্তিতে সেমিনার: ‘রাজনৈতিক তোষামোদে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা কমে’ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির আর্থিক হিসাব ও অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন: ৯ লাখ ১৯ হাজার ডলার গচ্ছিত থাকার দাবি, ৭ লাখ ২৫ হাজার ডলার ব্যয়ের অভিযোগ নাকচ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ফি পরিশোধে নতুন নিয়ম: স্বশরীরে সেবায় মানি অর্ডার-চেক ও নগদ বন্ধ, শুধু ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি নির্বাচন ২০২৬; এস্টোরিয়ায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের মতবিনিময় সভা বর্ণবৈষম্য অবসানের প্রতিশ্রুতি পূরণেএখনো অনেক দূরে বিশ্ব: জাতিসংঘে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ’র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 100 বার

প্রকাশিত: July 25, 2026 | 4:11 am

নিউজ২৪ইউএসএ.কম, নিউইয়র্ক : সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। আজ ২৪ জুলাই সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য।
তিনি প্রস্তাবটি নিয়ে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ও ব্যাপক সমর্থনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়াকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথম গৃহীত এ প্রস্তাবটি গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সংহতি ও অহিংসার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি এটি সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
Photo credit : Press Wing, Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations.

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ