Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ ও ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখতে নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল খালিক লালুর ইন্তেকাল শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্তের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ চাইলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা পেছাবে এক ঘণ্টা যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা; মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকছে নিবন্ধন কার্যক্রম, নতুন আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা কূটনৈতিক তৎপরতায় সাফল্য, এলডিসি উত্তরণে ৩ বছর বাড়তি সময় পেল বাংলাদেশ নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন সাত বিশিষ্ট ব্যক্তি নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
সব ক্যাটাগরি

শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্তের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ চাইলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 58 বার

প্রকাশিত: October 31, 2026 | 4:00 pm

নিউজ২৪ইউএসএ.কম, নিউইয়র্ক : টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত প্রতিরোধে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। একই সঙ্গে নারী অধিকারকর্মীদের সহায়তা, সংঘাতকবলিত এলাকায় নারীর সুরক্ষা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিক অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক (ডব্লিউপিএস) এক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্যে তিনি এসব আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধ, সংঘাতের বিস্তার রোধ এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের উদ্যোগ ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাবের অন্যতম মূল সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, ছয় বছর আগে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে বাংলাদেশ। এর প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চলছে। এ পর্যায়ে নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধে কিশোরী ও তরুণীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি ও মধ্যস্থতায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সম্পৃক্ততা সংঘাত প্রতিরোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

রাষ্ট্রদূত খান বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তাকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এ জন্য নারী অধিকারকর্মী ও সংগঠনগুলোর পাশে দাঁড়ানো, সংঘাতকবলিত এলাকায় নারীদের সুরক্ষা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত ও ধারাবাহিক অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
Photo credit : Press Wing, Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ