Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ নিউইয়র্কে ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’ নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬ সম্পন্ন, ৩৬তম বইমেলা ২১-২৪ মে নিউ জার্সিতে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সাবেক সভাপতি বাছিতের ইন্তেকাল
সব ক্যাটাগরি

স্বাধীনতার মার্চ (৭১) ও বিপ্লবের জুলাই (২৪): নিউইয়র্কে প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের রাউন্ড টেবিল আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 200 বার

প্রকাশিত: March 31, 2026 | 4:55 pm

নিউজ২৪ইউএসএ.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : স্বাধীনতার চেতনা, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র-এর উদ্যোগে নিউইয়র্কে এক রাউন্ড টেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “স্বাধীনতার মার্চ (৭১) আর বিপ্লবের জুলাই (২৪): অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অর্জিত স্বাধীনতা তখনই অর্থবহ, যখন তা জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দেয়।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, “অরক্ষিত স্বাধীনতা থেকে মুক্তির জন্য জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আজ সময়ের দাবি।” জুলাই আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, সত্যের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং মানুষের অধিকারকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে। আজকের বাস্তবতায় একটি কার্যকর গণতন্ত্র, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা ছাড়া সেই চেতনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফোরামের সদস্য সচিব এমদাদ চৌধুরী দীপু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর আবদুল কাদের এবং বাংলাদেশ ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক মিসবাহ উদ্দীন।
সভাপতি এমদাদ চৌধুরী দীপু বলেন, “স্বাধীনতা শুধু একটি ঐতিহাসিক অর্জন নয়, এটি একটি চলমান দায়িত্ব। আজকের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের নতুন করে রাষ্ট্রগঠনের পথ ভাবতে হবে।”
বাংলাদেশ ফোরামের নেতা আজিজুর রহমান বলেন, “মানবাধিকার লঙ্ঘন কোনো রাষ্ট্রের উন্নয়নের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের প্রথম কাজ হচ্ছে নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।” “বাক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে তা জাতির অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে।”
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর আবদুল কাদের বলেন, “আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ চাই—যেখানে প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর সম্মান পায়।” নতুন প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক চিন্তা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা গড়ে তুলতে হবে।”
জাগপা যুক্তরাষ্ট্র সভাপতি রহমতুল্লাহ বলেন: “গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এখন সময়ের দাবি।” যুবসমাজকে শুধু দর্শক নয়, পরিবর্তনের নেতৃত্বে আসতে হবে। প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যমে তারা একটি উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে সক্ষম।”
কমিউনিটির ফিনান্সিয়াল ও অ্যাকাউন্ট কনসালটেন্ট মুখতার হোসাইন বলেন, “অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না।” প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি গঠনে বড় ভূমিকা পালন করে।”
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর লিটন মজুমদার বলেন, “যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে—কারণ তারাই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রধান শক্তি।” দেশের উন্নয়নে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে অবদান রাখা প্রবাসে বসবাসরত নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখা বৈশ্বিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা।
এনসিপির যুক্তরাষ্ট্র সভাপতি ডাঃ সাইমন বলেন: “মানবাধিকার একটি সার্বজনীন বিষয়। এটি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না।” প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের জন্য একটি বড় শক্তি। তারা শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, বরং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের পরিচিতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশ ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক মিসবাহ উদ্দীন বলেন, “সংলাপ, সহনশীলতা ও আইনের শাসনের মাধ্যমেই একটি স্থিতিশীল সমাজ গড়ে ওঠে।” • দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতন ও সক্রিয় থাকা প্রযুক্তি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা।
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর দিপন গাজী বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা এবং সংগঠিত প্রতিরোধই পারে একটি জাতিকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে।”
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর কবির চৌধুরী বলেন, “স্বাধীনতার মূল চেতনা হচ্ছে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা—এটি কখনোই অবহেলিত হতে পারে না।”
কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ জাবেদ উদ্দিন বলেন, “প্রবাসীরা সবসময় দেশের মানবিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” স্বাধীনতা অর্জন একটি গৌরবের ইতিহাস, কিন্তু সেই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করা—এটি আমাদের প্রতিদিনের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের সচেতনতা এবং প্রবাসীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা মিলেই বাংলাদেশকে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে।
কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ জহিরুল হক মুকুল বলেন, “জাতীয় ঐক্য ছাড়া কোনো সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।” স্বাধীনতা অর্জন একটি বড় গৌরবের বিষয়, কিন্তু সেই স্বাধীনতাকে ধরে রাখা এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করাই আসল চ্যালেঞ্জ। নতুন প্রজন্মের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং প্রবাসীদের সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত, ন্যায়ভিত্তিক এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।
বাংলাদেশ ফোরামের নেতা নুরুল হক চৌধুরী বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য।” ২০২৪-এর স্বাধীনতা—চেতনায় নয় শুধু, বাস্তবেও নিশ্চিত করতে হবে।”
এনসিপি নেতা রাকিব বলেন, “তরুণদের মধ্যে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।” ২০২৪ সালে স্বাধীনতার অর্থ শুধু অতীতের গৌরব নয়—এটি বর্তমানের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যতের দায়িত্ব। স্বাধীনতা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ-এর তুহিন মালিক বলেন, “সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
বাংলাদেশ ফোরাম নেতা আবদুল আলীম বলেন, “আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে।” ২০২৪-এর প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা শুধুমাত্র ঐতিহাসিক অর্জন নয়—এটি একটি চলমান দায়বদ্ধতা। মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর প্রকৃত পরিপূর্ণতা।
নামুল হক তালুকদার বলেন, “গণতন্ত্র একটি দেশের শক্তির ভিত্তি। জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয় না। একটি কার্যকর গণতন্ত্রই পারে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিতে।”
রুকসানা পারভিন বলেন, “গণতন্ত্র তখনই অর্থবহ হয়, যখন সকল নাগরিক সমান অধিকার ও অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। নারী, সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে সম্মান জানিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব।”
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সালাউদ্দিন রহমান, বকুল আহমেদ, আবুল হোসাইন, কাজল আহমেদ প্রমুখ।

Situs Streaming JAV