Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ১ লাখ কবরের প্রকল্প স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক ও পুনর্মিলনী Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের জাতিসংঘে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসনে পুনরায় জোর দিয়েছে বাংলাদেশ চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে সদস্যদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN জাতিসংঘের নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত হজের গুরুত্ব ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 199 বার

প্রকাশিত: April 21, 2026 | 9:38 pm

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী : “নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই হজের গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ”।
হজ্জ ইসলামের পঞ্চম রোকন বা স্তম্ভ। মুমিন বান্দার প্রতি মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামিনের বিশেষ অনুগ্রহ এই যে, তিনি তাকে এমন কিছু ইবাদত দান করেছেন, যা দ্বারা বান্দা তার রূহানি তারাক্কি, কলবের সুকুন ও প্রশান্তি এবং দুনিয়া-আখিরাতের খায়ের ও বরকত লাভ করে থাকে। এসবের একটি হলো হজ্জ। হজ্জ ইসলামের পঞ্চম রোকন বা স্তম্ভ। নামায, রোযা, যাকাত যেমন ফরয ইবাদত, তেমনি আর্থিক ও শারীরিকভাবে সামর্থ্যবান মুসলমান নর-নারীর জন্য হজ্জ অন্যতম বরকতপূর্ণ অবধারিত কর্তব্য। হজ্জ আরবি শব্দ । অর্থ: নিয়ত করা, দর্শন করা, সংকল্প করা, সন্ধান করা, সাক্ষাৎ করা, ইচ্ছা করা বা প্রতিজ্ঞা করাসহ কোনো মহৎ কাজের ইচ্ছা করা। শরিয়তের পরিভাষায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামিনের ফরয আমলটি পালনার্থে এবং আল্লাহ তা’আলার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের আশায় হজ্জের নির্ধারিত সময়-সীমার ভেতরে নির্দিষ্ট আমল সম্পাদনের জন্য পবিত্র ‘বাইতুল্লাহ’ তথা কা’বা ঘর জেয়ারত করাকে হজ্জ বলে। আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেন, ‘মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির উপর আল্লাহর জন্য হজ্জ আদায় করা ফরয’ (সূরা আল ইমরান, আয়াত: ৯৭)। ‘তোমরা আল্লাহর জন্য হজ্জ ও উমরাহ পালন কর’ (সূরা-আল বাকারা, আয়াত: ১৯৬)। মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যখন আমি ইবরাহিম (আলাইহিস সালাম)কে বায়তুল্লাহর স্থান ঠিক করে দিয়ে বলেছিলাম যে, আমার সাথে কাউকে শরিক করো না এবং আমার গৃহকে পবিত্র রাখ তাওয়াফকারীদের জন্য। আর মানুষের মাঝে তুমি হজ্জের ঘোষণা প্রচার করো, তাঁরা তোমার কাছে আসবে পাঁয়ে হেঁটে, উটে চড়ে এবং সর্ব-প্রকার বাহনে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে’ (সূরা হজ্জ, আয়াত: ২৬-২৭)।
নবম হিজরীতে হজ্জ ফরয হয়। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ১০ম হিজরীতে একবার স্বপরিবারে হজ্জ পালন করেন। মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম এমন প্রত্যেক মুসলিম পুরুষ ও মহিলার জন্য জীবনে একবার হজ্জ আদায় করা ফরয। এ সম্পর্কে হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, হে মানব সকল! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হজ্জ ফরয করেছেন। সুতরাং তোমরা হজ্জ করো। এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! প্রতি বছর কি হজ্জ করতে হবে? তিনি চুপ রইলেন এবং লোকটি এভাবে তিনবার জিজ্ঞেস করল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে প্রতি বছর হজ্জ করা ফরয হয়ে যেতো, কিন্তু তোমাদের পক্ষে তা করা সম্ভব হতো না’ (মুসলিম, হাদিস : ১৩৩৭)। বারবার হজ্জ আদায় করা মুস্তাহাব। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম বলেছেন, ‘হজ্জ একবার, যে ব্যক্তি একাধিকবার করবে তা তার জন্য নফল হবে’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৮৮৬, আবু দাউদ হাদিস : ১৭২১)।
হাদিস শরীফে হজ্জ ফরয হওয়া মাত্র আদায় করার তাগিদ ও হুকুম দেওয়া হয়েছে। হযরত ইবনে আববাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘ফরয হজ্জ আদায়ে তোমরা বিলম্ব করো না। কারণ তোমাদের কারো জানা নেই তোমাদের পরবর্তী জীবনে কী ঘটবে’ (সুনানে কুবরা বায়হাকী ৪/৩৪০, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২৮৬৭)। অন্য বর্ণনায় ইরশাদ হয়েছে, হযরত ইবনে আববাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হজ্জ করার ইচ্ছে করে, সে যেন তাড়াতাড়ি তা আদায় করে নেয়। কারণ যে কোনো সময় সে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে বা বাহনের ব্যবস্থাও না থাকতে পারে অথবা অন্য কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৮৮৩; আবু দাউদ, হাদিস : ১৭৩২)।
একটি হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তা’আলা যে স্বচ্ছল সামর্থ্যবান ব্যক্তি সত্ত্বর হজ্জ আদায় করে না তাকে হতভাগা ও বঞ্চিত আখ্যায়িত করেছেন। আবু সাঈদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি আমার বান্দার শরীরকে সুস্থ রাখলাম, তার রিযিক ও আয়-উপার্জনে প্রশস্ততা দান করলাম। পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যদি সে আমার গৃহের হজ্জের উদ্দেশ্যে আগমন না করে তবে সে হতভাগ্য ও বঞ্চিত’ (তবারানী, হাদিস : ৪৯০; সুনানে কুবরা বায়হাকী ৫/২৬২; ইবনে হিববান, হাদিস : ৩৬৯৫; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস : ১০৩১; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদিস : ৫২৫৯)। শুধু তাই নয়, একসময় বায়তুল্লাহ শরীফ উঠিয়ে নেয়া হলে মানুষ হজ্জ করতে পারবে না এই আশঙ্কার কারণেও আল্লাহর রাসূল উম্মতকে তাড়াতাড়ি হজ্জ করার হুকুম করেছেন। ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা হজ্জ ও উমরার মাধ্যমে বায়তুল্লাহ এর উপকার গ্রহণ কর। কেননা তা ইতিপূর্বে দু’বার ধ্বংস হয়েছে। তৃতীয় বারের পর উঠিয়ে নেওয়া হবে’ (ইবনে হিববান, হাদিস : ৬৭১৮; ইবনে খুযাইমা, হাদিস : ২৫০৬; মুসনাদে বাযযার, হাদিস : ১০৭২; মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস : ১৬৫২)।
কেউ হজ্জের আবশ্যকীয়তা বা ফরয হওয়া অস্বীকার করলে তাকে অমুসলিম বলে গণ্য করা হবে। আর যদি কোনো সক্ষম ব্যক্তি হজ্জ ফরয মানা সত্ত্বেও তা আদায় না করেন তাহলে কঠিন পাপের মধ্যে নিপতিত হবেন এবং তার ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয় রয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে অবহেলা করে ফরয হজ্জ ত্যাগ করে, আমি জানি না তার মৃত্যু ঈমানের উপর হবে কি না। হজ্জ করার শক্তি-সামর্থ্য ও অর্থ-বিত্ত থাকার পরও যে ব্যক্তি হজ্জ করে না তার সম্পর্কে হাদিস শরীফে কঠোর সতর্কবাণী প্রদান করা হয়েছে। যে ব্যক্তি হজ্জ করার সামর্থ্য রাখে, তবুও হজ্জ করে না সে ইহুদী হয়ে মৃত্যুবরণ করল কি খিস্টান হয়ে তার কোনো পরোয়া আল্লাহর নেই’ (তিরমিযী, হাদিস ৮১২, তাফসীরে ইবনে কাসীর ১/৫৭৮)।
হজ্জের ফজিলত : হজ্জ একটি আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত। এ কারণেই আল্লাহ তা’আলা একে অতি ফজিলতপূর্ণ করেছেন। হজ্জের ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হাদিস শরীফে মকবুল হজ্জের বহু ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসূলের প্রতি গভীর ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখায় বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ ও রওজা মোবারক যিয়ারতের মাধ্যমে। নিম্নে কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করা হলো, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য নিবেদিতভাবে, সর্বপ্রকার পাপ, অন্যায় ও অশ্লীলতা মুক্ত হয়ে হজ্জ আদায় করলো, সে মাতৃগর্ভ থেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ঘরে ফিরলো’ (বুখারী, হাদিস: ১৫২১; মুসলিম, হাদিস : ১৩৫০)। তিনি আরও বলেছেন; একবার উমরা আদায়ের পরে দ্বিতীয়বার যখন উমরা আদায় করা হয়, তখন দুই উমরার মধ্যবর্তী গোনাহ আল্লাহ্ মাফ করে দেন। আর হজ্জে মাবরুর বা পুণ্যময় হজ্জের একমাত্র পুরস্কার হলো জান্নাত’ (বুখারী, হাদিস : ১৭৭৩; মুসলিম, হাদিস : ১৩৪৯; তিরমিযী, হাদিস : ৯৩৩; নাসায়ী, হাদিস : ২৬২৯; ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৮৮৮)। কবুল হজ্জ দ্বারা উদ্দেশ্য এমন হজ্জ, যা সুন্নাত মুতাবেক সম্পন্ন হয়, যাতে পাপাচার ও গোনাহ থেকে মুক্ত থাকা হয় (রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১২৮১-এর ব্যাখ্যা)। হজ্জ শুধু শারীরিক ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং হজ্জ পালন বান্দার পাপও মোচন করে দেয়। ফলে হজ্জ পালনকারীর পাপের বোঝা হালকা হয় এবং দারিদ্র্য দূর হয়। তবে হজ্জ পালন একমাত্র আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে হতে হবে। এতে কোনো প্রকার লৌকিকতা থাকতে পারবে না। এ মর্মে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা বারবার হজ্জ ও উমরা আদায় কর, কারণ কর্মকারের ও স্বর্ণকারের আগুন যেমন লোহা ও সোনা-রূপার ময়লা মুছে ফেলে তেমনিভাবে এ দুটি ইবাদত দারিদ্র্য ও পাপ মুছে ফেলে। আর হজ্জে মাবরুর বা পুণ্যময় হজ্জের একমাত্র পুরস্কার হলো জান্নাত’ (তিরমিযী, হাদিস : ৮১০; নাসায়ী, হাদিস : ২৬৩১)।
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়, সর্বশ্রেষ্ঠ কর্ম কি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। প্রশ্নকারী বলেন, এরপর কোন কর্ম? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা । প্রশ্নকারী বলেন, এরপর কোন কর্ম? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও সুন্দরতম জিহাদ হলো হজ্জ, তথা মাবরুর হজ্জ (কবুল হজ্জ)’ (বুখারী, হাদিস : ২৬; মুসলিম, হাদিস : ৮৩; তিরমিযী, হাদিস : ১৬৫৮)।
হযরত আয়শা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম! জিহাদকে আমরা সর্বোত্তম আমল মনে করি। কাজেই আমরা কি জিহাদ করবো না? তিনি বললেন, তোমাদের জন্য উত্তম ও সুন্দরতম জিহাদ হলো ‘হজ্জ’, তথা মাবরুর হজ্জ’ (বুখারী, হাদিস: ১৫২০)।
হযরত ইবনে উমর (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘আল্লাহ তা’আলা হজ্জকারীকে তার উটনীর প্রতি কদমে একটি নেকি লেখেন কিংবা একটি গুনাহ মুছে দেন। অথবা একটি মর্তবা বুলন্দ করেন’ (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ১৮৮৭; শুআবুল ঈমান, বায়হাকি, হাদিস : ৪১১৬)। হযরত সাহল ইবনে সা’দ আসসায়েদী (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ইরশাদ করেন, কোনো ব্যক্তি যখন তালবিয়া পাঠ করে তখন তার ডানে ও বামে পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যা কিছু আছে যেমন, গাছপালা, মাটি, পাথর সব কিছু তালবিয়া (লাব্বাইক) পাঠ করতে থাকে, (তিরমিযী, হাদিস : ৮২৮; ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৯২১)। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হজ্ব করার তাওফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন।
লেখক: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট, সাবেক ইমাম ও খতীব হযরত দরিয়া শাহ্ রহ. মাজার জামে মসজিদ কদমতলী সিলেট।

সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV