Tuesday, 15 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ‘শপিং উইথ সাবরিনা’র গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে বিশেষ সেল! নিউইয়র্কে ৯/১১-এর ভিকটিমদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভায় শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES FUNDING FOR THE FIRST-EVER: BRONX SCHOOL OF HIP HOP ON THE FIRST DAY OF SCHOOL নিউইয়র্কে স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেস ইউএসএ’র ‘কাস্টমার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন ইভনিং’- আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নিউইয়র্কের ওজন পার্কে আনজুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র ঈদে মীলাদুন্নবী র‌্যালি ও মাহফিল বিশ্বের ৬৩ দেশে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প চালাচ্ছে বাংলাদেশের মিশন আদর্শের জীবন্ত প্রতীক রাসুল (সা.) Trump Administration Proposes Excluding Non-Citizens from Census 2030, Setting Up 14th Amendment Challenge নিউইয়র্কে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ৫ হাজার মানুষের মেজবান
সব ক্যাটাগরি

কুমিল্লার নামেই কুমিল্লা বিভাগ হবে- কুমিল্লা সোসাইটি নর্থ আমেরিকা’র বনভোজনে সাংসদ জসিম উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 36 বার

প্রকাশিত: August 18, 2026 | 5:21 pm

নিউজ২৪ইউএসএ.কম, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে কুমিল্লা সোসাইটি নর্থ আমেরিকা’র বনভোজনে কুমিল্লা -৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) থেকে নির্বাচিত সাংসদ হাজী জসিম উদ্দিন জসিম বলেছেন, কুমিল্লার নামেই কুমিল্লা বিভাগ হবে। তিনি এসময় বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াসহ কুমিল্লাবাসীর যে কোনো প্রয়োজনে তার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন ।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশীদের অন্যতম আঞ্চলিক এ সংগঠনের আয়োজনে গত ১৬ আগস্ট বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে অনুষ্ঠিত কুমিল্লাবাসীর এ মেলায় সাংসদ হাজী জসিম উদ্দিন জসিম উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি যুক্তরাষ্ট্র’র সাবেক সভাপতি ডা. মো. এনামুল হক এমডি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সুন্দর আয়োজনের জন্য সংগঠনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে সবসময় কুমিল্লাবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি যুক্তরাষ্ট্র’র আহ্বায়ক ও প্রধান উপদেষ্টা ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে এবং ইভেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মিঠু ও সদস্য সচিব মো. রোবেল হোসেন রুবেলের সহযোগিতায় সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনির হোসেন খানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ ছিলেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আল আমিন সুমন।
অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজুল ইসলাম পাটোয়ারি, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোশারর হোসেন খান চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ দুলাল, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, সহ-সভাপতি প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল, প্রার্থী শাহনাজ হোসেন, বৃহত্তর দাউদকান্দি সমিতির সাবেক সভাপতি ইয়ার আহম্মেদ পাটোয়ারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর ভূইয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও কাজী মো. আছাদ উল্লাহ প্রমুখ।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আব্দুল মান্নান দেলোয়ার, মো. নাদির সরকার, প্রধান সমন্বয়কারী মো. জামাল উদ্দিন ও মেসবাউল ইসলাম শাওন, সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গোলাম আজম লিটন ও মো. আকবর হোসেন, পৃষ্ঠপোষক কাজী মো. আছান উল্লাহ ও সৈয়দ শরীফ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও মোশারর হোসেন প্রমুখ।
উৎসবমুখ ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ বনভোজনে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ বিপুল সংখ্যক কুমিল্লাবাসীর উপস্থিতিতে পুরো পার্ক হয়ে ওঠে একখন্ড বাংলাদেশ। জাকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে কুমিল্লাবাসী ছাড়াও কমিউিনিটি নের্তৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী যোগ দেন।
উৎসব আমেজে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হকরা হয়। মজাদার খাবার, বিভিন্ন খেলা-ধুলার পাশাপাশি বনভোজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল র‌্যাফেল ড্র। পুরষদের হাড়িভাঙ্গা ও মহিলাদের বালিশ খেলাসহ অন্যান্য খেলা-ধূলা দর্শকরা উপভোগ করেন দারুণভাবে।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সাংসদ হাজী জসিম উদ্দিন জসিম, ডা. মো. এনামুল হক এমডি, মোর্শারফ খান চৌধুরীসহ বেশ ক’জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
শেষে খেলাধুলায় অংশগ্রহনকারি এবং র‌্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। র‌্যাফেল ড্র’র মধ্যে ছিল ১ম পুরস্কার স্বর্ণের চেইন, ২য় পুরস্কার ৭২ ইঞ্চি টেলিভিশন এবং ৩য় পুরস্কার ৬৫ ইঞ্চি টেলিভিশনসহ ১০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার।
বক্তারা বলেন, বনভোজন আমাদের বাঙালীর সংস্কৃতির একটি অংশ। এধরণের আয়োজন আমাদের নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচারের সাথে পরিচিত করার একটি সুযোগ। অনুষ্ঠানে দেশের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে প্রবাস প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা নিজেদের আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি বেশি বেশি রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্তমানবতার সেবায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
আয়োজকরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশ ও প্রবাসে কুমিল্লাবাসীর যেকোনো প্রয়োজনে সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা কল্যাণমূলক কাজে সকলের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ