যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী বৃষ্টিও হত্যাকাণ্ডের শিকার
নিউজ২৪ইউএসএ.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ৮ দিন ধরে নিখোঁজ থাকা বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে তার পরিবার। শনিবার তার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে মৃত্যুর বিষয়টি জানান।
জাহিদ হাসান প্রান্ত জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ তাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর জানায়। তারা জানায়, একটি বাসার ভেতরে রক্তের মধ্যে পাওয়া মরদেহের অংশের ডিএনএ পরীক্ষায় নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। তবে তার পূর্ণাঙ্গ মরদেহ পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

এদিকে এর আগে একই ঘটনায় নিখোঁজ অপর বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় হিলসবরো এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের নিখোঁজের ঘটনায় হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের ২৬ বছরের আমেরিকার এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তিনি জামিলের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন। তবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর বাড়ি থেকে।
নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা করেন নাহিদা। নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর এলাকায়। তাঁর বাবার নাম জহির উদ্দিন আকন ওরফে দিল মোহাম্মদ। জহির উদ্দিন দুই যুগের বেশি সময় ধরে রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১১ নম্বরে পরিবার নিয়ে থাকেন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন।
অপর শিক্ষার্থী জামিল লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। লিমন ২০২৪ সালে পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পাড়ি জমান। নিহত জামিল আহমেদ জামালপুরের মাদারগঞ্জের কড়ইচড়া ইউনিয়নের মহিষবাথান এলাকার জহুরুল হকের ছেলে। কর্মসূত্রে জহুরুল হক দীর্ঘদিন ধরেই গাজীপুরের মাওনা এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানেই জামিলের বেড়ে ওঠা ও পড়ালেখা। একই এলাকায় তিনি স্ত্রী লুৎফন নেছাকে নিয়ে স্থায়ীভাবে সংসার গড়ে তোলেন। জহুরুল হক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। দুই ছেলের মধ্যে জামিল ছিলেন বড়। ছোট ছেলে জোবায়ের হোসেন। পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে জামিলকে ঘিরে সবার অনেক স্বপ্ন ও প্রত্যাশা ছিল। তার মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ পুরো পরিবার।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ১৬ই এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন বৃহস্পতিবার দুজনকেই ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়।
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ‘শপিং উইথ সাবরিনা’র গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে বিশেষ সেল!
- নিউইয়র্কে ৯/১১-এর ভিকটিমদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভায় শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES FUNDING FOR THE FIRST-EVER: BRONX SCHOOL OF HIP HOP ON THE FIRST DAY OF SCHOOL
- নিউইয়র্কে স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেস ইউএসএ’র ‘কাস্টমার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন ইভনিং’- আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- নিউইয়র্কের ওজন পার্কে আনজুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র ঈদে মীলাদুন্নবী র্যালি ও মাহফিল
- বিশ্বের ৬৩ দেশে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প চালাচ্ছে বাংলাদেশের মিশন
- আদর্শের জীবন্ত প্রতীক রাসুল (সা.)

